বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ বত্রিশে এগিয়ে থেকেও সমতায় এসে পরে ম্যাচে জয় তুলে নেয়া। সেরা ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকে ৩-২তে প্রত্যাবর্তন মহাকাব্য লিখে জেতা। সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ১১২ মিনিট পর্যন্ত ১-১ সমতায় থেকে ২-১এ জয় নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো। টানা তিন ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে সেমিফাইনালে উঠে গেছে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কোচ লিওনেল স্কালোনি বললেন, এমন জয়ের ধরন আর্জেন্টিনার ডিএনএতেই রয়েছে।
মিয়ামির হার্ডরক স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, জুলিয়ান আলভারেজ ও লৌতারো মার্টিনেজ। সুইসদের একমাত্র গোলটি করেন ড্যান এনডয়ে। সেমিতে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন স্কালোনি।
আর্জেন্টিনা কোচ বলেছেন, ‘আমরা জানতাম যে আমাদের কষ্ট সহ্য করতে হবে। এটা আমাদের রক্তের অংশ, এটা আমাদের ডিএনএর অংশ। আর এটাই মনের শান্তি এনে দেয়। কাতারে আমরা ততটা অভিজ্ঞ ছিলাম না, আমি নিজেও না, এবং ওই ধরনের পরিস্থিতিগুলো খুব কঠিন ছিল।’
স্কালোনির মতে, বিশ্বাস না হারিয়ে কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতাই এই আর্জেন্টিনা দলের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে।
বলেছেন, ‘তবে, এখন আমরা আরও অভিজ্ঞ, কারণ আমরা জানি প্রতিপক্ষের দ্বারা কোণঠাসা হয়ে পড়া বা সমতাসূচক গোল হজম করার অনুভূতি কেমন হয়। তাই আজ আমরা নিজেদের সংযম বজায় রেখেছি। দল জানত কীভাবে শান্ত থাকতে হয় এবং অবশ্যই, আমরা কখনোই হাল ছাড়ব না। যখন সেমিফাইনালে পৌঁছান, তখন আপনাকে কষ্ট সহ্য করতে হয়। আপনাকে এরমধ্য দিয়ে যেতে হয়।’



