সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল বুধবার (২৭ মে) চাঁদপুরের অন্তত ৪০টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ঐতিহাসিক সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন দরবারের পীর যাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

১৯২৮ সালে আগাম ঈদসহ এই ধর্মীয় রীতি ও প্রথা প্রথম চালু করেন সাদ্রা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আল্লামা ইসহাক চৌধুরী (রহ.)। তাঁর মৃত্যুর পর থেকে সন্তান ও অনুসারীরা এই রীতি মেনে আসছেন।
তবে হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী জানান, অনেকেই মনে করেন তাঁরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করেন, যা সঠিক নয়। বরং হানাফী, মালেকী ও হাম্বলী মাযহাবের মতানুসারে- বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার ভিত্তিতে তাঁরা রোজা ও ঈদ উদযাপন করেন।
২৬ মে পবিত্র আরাফার ময়দানে হজ পালিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, হজের পরদিন কোরবানি করাটাই নিয়ম। সারা বিশ্ব যখন বুধবার কোরবানি করবে, তখন বাংলাদেশে আরাফার রোজা পালন করাকে তিনি হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন, কারণ বাংলাদেশে আরাফার কোনো ময়দান নেই।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এই আগাম ঈদ উদযাপনে সামিল হওয়া গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা। এছাড়া ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর, মতলব উত্তর উপজেলার দশানী, মোহনপুর ও পাঁচানী এবং কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার আরও কয়েকটি গ্রামের সচেতন মুসল্লিরা কাল এই ধর্মীয় উৎসবে অংশ নেবেন।




