ভাগে মহিষ কোরবানি
কোরবানির জন্য মহিষ কিনেছেন এমন তিনজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, সবাই ভাগে মহিষ কোরবানি দিচ্ছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের জুয়েল হোসেন স্থানীয় একটি পশুর হাটে মহিষ কিনতে গিয়ে ফেসবুকে লাইভ করেছেন। যে মহিষটি কিনেছেন, সেটির ছবিও ফেসবুকে দিয়েছেন।
জুয়েল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ২ লাখ ৪১ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে মহিষ কিনেছেন। সাতজন মিলে কোরবানি দেবেন।
এর আগেও মহিষ কোরবানি দিয়েছেন জানিয়ে জুয়েল বললেন, গরুর চেয়ে মহিষের দাম বেশি। এরপরও সাতজন মিলে মহিষ কিনেছেন। সবারই মহিষ পছন্দ। তবে যখন দেখা যায় পর্যাপ্ত টাকা নেই, তখন তাঁরা কোরবানির জন্য গরু কেনেন।
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের সন্তোষপুরের বাসিন্দা মাকসুদুর রহমান নিজেই একজন খামারি। তিনি গরু, মহিষ ও ভেড়া পালন করেন। এবার কোরবানিতে ছয়টি মহিষ বিক্রি করেছেন।
মাকসুদুর প্রথম আলোকে জানান, চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে মিলে মহিষ কোরবানি দেবেন তিনি। নিজের খামারে পশুটি লালন-পালন করেছেন।
মাকসুদুর বলেন, মহিষ কোরবানি দেওয়ার প্রধানত দুটি কারণ। গরু ও ভেড়ার তুলনায় মহিষে মাংস বেশি হয়। আর মহিষের মাংস খেলে অ্যালার্জি হয় না। এটা স্বাস্থ্যসম্মত।


