বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে ব্রিটিশ কারিকুলামের সার্টিফিকেট কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ, হার্ভার্ড কিংবা এমআইটির মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’লেভেলের ফলাফলকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। অনেক ক্ষেত্রে ‘এ’ লেভেলের ভালো ফলের কারণে শিক্ষার্থীরা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের কিছু কোর্সে সরাসরি ক্রেডিট ছাড় পায়, যা উচ্চশিক্ষার সময় ও ব্যয়—উভয়ই কমিয়ে আনে।
জুবায়ের নাঈম আরও বলেন, ‘ব্রিটিশ কারিকুলামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি ‘“কী শিখতে হবে” তার চেয়ে “কীভাবে শিখতে হবে”, সেটির ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়। প্রথাগত মুখস্থনির্ভর পদ্ধতির বদলে এই কারিকুলাম একজন শিক্ষার্থীর তথ্য বিশ্লেষণ, জটিল সমস্যার সমাধান এবং তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার ক্ষমতা যাচাই করে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো ব্যবহারিক ল্যাব দক্ষতা অর্জন আর মানবিকের ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো জোরালো যুক্তি তৈরি করতে শেখা। এই দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। এটি এমন গ্র্যাজুয়েট তৈরি করে, যারা কেবল পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত নয়; বরং যেকোনো কর্মক্ষেত্রে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম।’
বর্তমান যুগে নিয়োগকর্তারা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বা আবেগগত বুদ্ধিমত্তা এবং প্রায়োগিক সমস্যা সমাধানের দক্ষতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। এই শিক্ষাব্যবস্থা মূলত সেই গুণগুলো বিকাশের জন্যই বিশেষভাবে তৈরি বলে জানান জুবায়ের নাঈম।


