উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একজন অধ্যাপক। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়েই অবরুদ্ধ ঢাকার ভয়াবহতা, মানুষের আতঙ্ক, যুদ্ধের বিভীষিকা ও একটি জাতির অস্তিত্বসংকট ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে ফিরোজ চরিত্রের মধ্যে তরুণ সমাজের ক্ষোভ, অস্থিরতা ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। ফিরোজের স্ত্রী মিনাক্ষী যুদ্ধের সময় এক বাঙালি নারীর আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীন জীবনের প্রতীক হিসেবে উপন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ জন্যই ‘রাইফেল, রোটি, আওরাত’ শুধু একটি সাহিত্যকর্ম নয়, বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধারণ করা এক অনন্য সৃষ্টি।
পাঠচক্রের আয়োজন সম্পর্কে চট্টগ্রাম নেভি অ্যাংকরেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল কমান্ডার জাকারিয়া পারভেজ (ইডিএন) বিএন বলেন, ‘একজন পরিপূর্ণ মানুষ হতে গেলে বই পড়া খুব প্রয়োজন। এই প্রতিষ্ঠানে সৃজনশীল কার্যক্রমগুলোর যেমন প্ল্যাটফর্ম আছে, তেমনি বই পড়ার জন্য বিশাল এক লাইব্রেরি রয়েছে। আমি চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা বই পড়ার মাধ্যমে নিজেদের একজন ভালো মানুষ হিসেবে তৈরি করবে। আজকের এ আয়োজনে চট্টগ্রাম বন্ধুসভার পাঠচক্র আমাকে বেশ মুগ্ধ করেছে। তাঁদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা।’



