আসাদুজ্জামান: কোনো কন্ট্রাডিক্ট করে না। আমরা উদাহরণ হিসেবে বলেছি, ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনে কয়েকটা পরিবর্তন এনেছিল। যুগান্তকারী পরিবর্তন। ধরেন, আমার সন্তান একটা আছে। আমার সন্তান মারা গেল আমার আগে। আমি যদি আগে মারা যেতাম, আমার ওই সন্তান ইসলামিক ল অনুসারে উত্তরাধিকার হতো। কিন্তু সে যদি আগে মারা যায়, তার সন্তানেরা, নাবালক সন্তানেরা কিন্তু আমার অংশ পাবে না। আমার থেকে তার বাবা যেটা পেত, সেটা পাবে না। ১৯৬১ সালে এসে বলল—না, ওই সন্তান যে অংশটা পেত, তার সন্তানেরা ওই অংশটা পাবে।
তারপর ধরেন, ইসলামিক ল অনুসারে মুখে তিন তালাক বললে ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে। ১৯৬১ সালের আইনে বলল—না, তিন তালাক বললেই ডিভোর্স হবে না।
তৃতীয়ত হলো, স্বামী–স্ত্রী ডিভোর্স হয়ে গেল। তাঁরা আবার বিয়ে করতে গেলে হিল্লা বিয়ের একটা বিধান ছিল। ১৯৬১ সালের আইনে বলল—না, হিল্লা বিয়ে বলে কিছু থাকবে না। তালাক চূড়ান্ত হয়ে গেছে। পরবর্তী সময়ে যদি মনে করেন, তাঁরা নতুন করে বিয়ে করতে পারবেন।