অভিযোগ আছে, আবদুল কাইয়ুমকে ঠেকাতে শাহ আলম চৌধুরীর ইন্ধন ও হস্তক্ষেপে আওয়ামী নেতা-কর্মীদের আবার এলাকায় ফেরানোর পরিকল্পনা করা হয়। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটার দিকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে এলাকায় ফিরতে শুরু করেন আত্মগোপনে থাকা স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। এ খবর পেয়ে আবদুল কাইয়ুমের সমর্থকেরা বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষ টেঁটা, আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর প্রকাশের জেরে নরসিংদী সদর হাসপাতাল চত্বরে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকের নাম আইয়ুব খান সরকার। তিনি বেসরকারি যমুনা টেলিভিশনের স্থানীয় প্রতিনিধি। এলোপাতাড়ি কিল–ঘুষিতে তাঁর মাথা ফেটে গিয়ে চারটি সেলাই দিতে হয়েছে।
হামলার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন সময় টেলিভিশনের সাংবাদিক আশিকুর রহমান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যমুনা টিভির সংবাদে কেন বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ বলা হয়েছে, তা নিয়েই প্রথমে তর্কাতর্কি শুরু হয়। আইয়ুব খান বারবারই বলেন, এটা তো তাঁর বলার কিছু নয়, ওসি ও স্থানীয় লোকজনই জানিয়েছেন। এরপরই ‘লিখলি কেন’, ‘এখনই ঠিক কর’ বলে হামলা করা হয়। তাঁকে উপর্যুপরি কিল–ঘুষি মারা হয়।
এ রকম ঘটনা কেবল নরসিংদী নয়, দেশের আরও জায়গায় ঘটছে।
● সোহরাব হাসান সাংবাদিক ও কবি
* মতামত লেখকের নিজস্ব
[২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রথম আলোর ছাপা সংস্করণে এ লেখাটি ‘ছাত্রদলের ব্যর্থতা বিএনপির জন্য ওয়েক–আপ কল?’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে।]



