মঞ্চে তাৎক্ষণিক বক্তৃতা
কার্নিভ্যালের অন্যতম আকর্ষণ ছিল তাৎক্ষণিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। পাবলিক স্পিকিং অ্যান্ড ডিবেট ক্লাবের আয়োজনে ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এ পর্বে অংশ নেন ১০ জন প্রতিযোগী। প্রতিযোগিতাটি আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ক্লাবের কনভেনর তাসমিয়াহ্ আক্তার ও সদস্য মুমায়জা মোহাম্মদ।
প্রতিযোগীদের সামনে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও পরিবেশ নিয়ে সমসাময়িক নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ‘শিক্ষার পরিসর কি শ্রেণিকক্ষের বাইরেও বিস্তৃত?’, ‘ব্যক্তিগত উদ্যোগ কি সত্যিই পৃথিবীকে বাঁচাতে পারে?’ কিংবা ‘প্রযুক্তি কি মানুষের সৃজনশীলতার বিকল্প হতে পারে?’—এমন নানা বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন প্রতিযোগীরা।
বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ড. আফরোজা আজিজ সুচনা ও ইস্তিয়াক নূর মুহিত। প্রতিযোগিতায় প্রথম হন সামায়তা রহমান, দ্বিতীয় আলিফ আমিনা আইভি এবং তৃতীয় সুবাইতা তাসনিম। বিজয়ী ও চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের দেওয়া হয় সনদ ও কিশোর আলো ম্যাগাজিন।
এদিন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ইসমাত জারিনের নেতৃত্বে পিএসএসির উদ্যোগে অ্যালামনাইদের সঙ্গে ইংরেজি পাঠ্যক্রম নিয়ে একটি সভাও অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান পাঠ্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিবর্তন, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও মূল্যায়নব্যবস্থা নিয়ে মতামত দেন অ্যালামনাইরা।
পর্দায় ‘ডেড পোয়েটস সোসাইটি’
বিকেলে অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের জন্য দেখানো হয় ডেড পোয়েটস সোসাইটি চলচ্চিত্র। আয়োজনটি করেন কনভেনর সিফাতুর রহিম ও লেকচারার সুমাইয়া জাহান শশী।
চলচ্চিত্রের গল্প ও চরিত্রের মাধ্যমে শিক্ষা, শিক্ষকতার ভূমিকা, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও কবিতার গুরুত্ব নিয়ে ভাবার সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা। সাহিত্যকে শুধু বইয়ের পাতায় নয়, চলচ্চিত্রের মাধ্যমেও অনুভব করার এই আয়োজন কার্নিভ্যালের সৃজনশীল পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করে।
