শান আর জিজ্ঞেস করবে না, ‘ম্যাম, আমি কত পেয়েছি’

গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পোস্টটি দেন সুমাইয়া বেগম। তিনি লিখেছেন, ১০ আগস্ট শান তাঁর কাছে জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক পরীক্ষা দিয়েছিল। সে নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী, রোল নম্বর ১। পরীক্ষা শেষে খাতাও জমা দিয়েছিল শান। পরদিন ১১ আগস্ট শান (তাঁর কাছে) জানতে চায়, প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় সে কত নম্বর পেয়েছে।

‘ম্যাম, প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় আমি কত পেয়েছি?’ শানের এ প্রশ্নের কথা উল্লেখ করে সুমাইয়া বেগম লিখেছেন, ‘সাধারণত পরীক্ষা দেওয়ার পর শান নিজের নম্বর জানতে চাইত না।’ শান তাঁকে বলেছিল, ‘ম্যাম, আপনি বলছেন যে এবার আমি বাসায় ভালো করে পড়ছি, পরীক্ষায়ও লিখছি। তাই নম্বরটা জানতে চাইছি। নম্বর জানলে খুশি হতাম!’

সেদিন শানের কথাটি স্বাভাবিকই মনে হয়েছিল শিক্ষকের কাছে। কিন্তু এখন সে কথাই তাঁকে কষ্ট দিচ্ছে উল্লেখ করে সুমাইয়া বেগম লিখেছেন, ‘কথাগুলো তখন খুব স্বাভাবিকই মনে হয়েছিল। একজন ছাত্র তার নম্বর জানতে চাইছে, এতে অস্বাভাবিক কী আছে? কিন্তু আজ সেই কথাগুলোই বুকের ভেতর কেমন যেন ছুরির মতো বিঁধে আছে।’

Scroll to Top