প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে একটি পিকআপ ভ্যানে মাইক লাগিয়ে লোডশেডিংয়ের বিষয়ে প্রচার চালানো হয়। বিদ্যুতের চাহিদা কি পরিমাণ এবং কতটুকু পাওয়া যাচ্ছে সে বিষয়ে প্রচারণা চালানো হয়। পাশাপাশি লোকজনকে ধৈর্য ধারণ করার জন্য আহ্বান জানানো হয় প্রচারে। এ ছাড়াও রাত নয়টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার জন্য বলা হয় ওই প্রচারণা থেকে।
গাড়িটি বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মচমইল বাজারের পেট্রলপাম্পের কাছে পৌঁছালে লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাঁরা গাড়ি আটকে ক্ষোভের কথা জানান এবং গালাগাল করেন। এ সময় কিছু লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ভবানীগঞ্জ আঞ্চলিক দপ্তরের মহাব্যবস্থাপক আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, মচমইল এলাকায় প্রচার গাড়িটি বাধা প্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি তিনি এখনো জানেন না। লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহকেরা অতিষ্ঠ হয়ে এ রকম ঘটনা ঘটাতে পারে।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. ফকরুল আলম জানান, দিনে ১২০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৫৮-৭০ মেগাওয়াট এবং রাতে ১৩১ মেগাওয়াটের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে থেকে ৭২-৮৩ মেগাওয়াট। এ জন্য লোডশেডিং হচ্ছে। এ এলাকায় ২০ মেগাওয়াট বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে সরকার দলীয় হুইপকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরম ও বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার জন্য বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে।
[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা]



