বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের ছবিতে কয়েক ডজন কংক্রিটের প্যাডের মধ্যে অন্তত দুটি দেখা গেছে। হাওয়াইভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক ফোরামের অ্যাডজাংক্ট ফেলো আলেকজান্ডার নিল বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, সাইলো এলাকার বাইরেও হাজার হাজার বর্গকিলোমিটার মরুভূমিজুড়ে ব্যাপক পরিসরে এই অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।’
এসব স্থাপনার প্রকৃত সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নিল আরও বলেন, ‘চীনের কৌশলগত পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা যে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও বহুমুখী হচ্ছে, আমরা তারই প্রমাণ দেখছি।’
আগে হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়ার নীতির ওপর ভিত্তি করেই নিজেদের পারমাণবিক কৌশল সাজিয়েছে চীন। তাদের লক্ষ্য হলো, একটি ক্ষুদ্র হলেও নির্ভরযোগ্য পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলা। আর এ লক্ষ্য অর্জনে মরুভূমিতে থাকা সাইলো রক্ষার সক্ষমতা অর্জন করাটা তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চীনের সামরিক বাহিনী (পিপলস লিবারেশন আর্মি) সাবমেরিন ও বিমান থেকেও পারমাণবিক অস্ত্র ছুড়তে পারে। তবে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং অঞ্চল ও গানসু প্রদেশে থাকা সাইলো এলাকাগুলোই তাদের পারমাণবিক বাহিনীর মূল কেন্দ্র।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নের পদক্ষেপে সবচেয়ে বেশি নজরে থাকে এই পারমাণবিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়টি।
কিছু পশ্চিমা কূটনীতিকের অভিযোগ, বেইজিংয়ের এই কর্মসূচিতে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। চীনের বিকাশমান পারমাণবিক সক্ষমতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে।



