ইরানে টানা ১১তম দিনের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও কৌশলগত এলাকাকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলায় একের পর এক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। হামলার পর রাজধানীজুড়ে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বুধবার (২২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে বলে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল করতেই এ অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। সর্বশেষ হামলায় ইরানের সামরিক অভিযানকেন্দ্র, নৌ-সামরিক সক্ষমতা, বিমান হ্যাঙ্গার, ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং সামরিক রসদ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইরানের সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের বুশেহর এলাকায়ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সময়ে ফার্স নিউজ জানায়, দক্ষিণ ইরানের সিরিক অঞ্চলের আশপাশেও একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের বেহবাহান ও ওমিদিয়েহ শহরের কাছাকাছি এলাকাগুলো মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এছাড়া উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ শহরের উপকণ্ঠে একটি সামরিক স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে। তবে শহরের ভেতরে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার কুয়েতের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা একটি ইরানি ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের বিভিন্ন স্থানে ইরানের হামলার ঘটনাও বেড়েছে।


