অতিরিক্ত প্রক্রিয়া: বিক্রি না হলে সেই দই থেকে ছানা, চিজসহ নানা পণ্য তৈরি। এই পুরো প্রক্রিয়ায় দুধ কখনোই পাস্তুরাইজ করা হয় না, যা একদিকে স্বাদের স্বকীয়তা বজায় রাখে, অন্যদিকে কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি করে।
গবেষণার বিশ্লেষণ: গবেষকেরা নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকা থেকে মহিষের কাঁচা দুধের তৈরি দই সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণের জন্য নিয়ে আসেন।
সেখানে দইয়ের গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য তিন ধরনের পরীক্ষা পরিচালিত হয়— (১). সংবেদনশীল পরীক্ষা: বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে দইয়ের রং, গন্ধ, স্বাদ, গঠন এবং সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা ৯ ধাপের হেডোনিক স্কেলের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়। (২). রাসায়নিক পরীক্ষা: অম্লত্বের মাত্রা ০.৫৩% থেকে ০.৭৩% (স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি), চর্বির পরিমাণ: ৫.৫৮% থেকে ৮.০৩% (কিছুটা কম), প্রোটিনের পরিমাণ: ৩.৩% থেকে ৪.৪ %, ও কেসিনের পরিমাণ: ২.৫৬ %থেকে ৩.৪২ %। (৩). অণুজীব–সংক্রান্ত পরীক্ষা: নমুনায় ই. কোলাই ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত হলেও সালমোনেলা জীবাণু পাওয়া যায়নি।



