এমনকি ইউক্রেন যুদ্ধের মাধ্যমে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের সর্বাত্মক যুদ্ধে ইসরায়েল প্রকাশ্যে নিজেদের যুক্ত করার পরও রুশরা ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সামরিক জোট ও সম্পর্ক ত্যাগ করেনি।
সেই জোটে এবং অকার্যকর দুই–রাষ্ট্র সমাধানের অব্যাহত সমর্থনের মাধ্যমে ‘উভয় পক্ষকে সমানভাবে দেখা’র ভান করে রুশ ফেডারেশন তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের চেয়েও খারাপ অবস্থানে রয়েছে।
গত সপ্তাহে লাভরভের মতো অর্থহীন কূটনৈতিক ঘোষণাগুলো এক পাশে রাখলে বর্তমান যুদ্ধে ইরানের প্রতি রাশিয়ার হালকা বা কুসুম-কুসুম সমর্থন মূলত যুদ্ধপরবর্তী সময়ে সোভিয়েতদের সতর্ক ভারসাম্য রক্ষা কৌশলের চেয়ে আলাদা কিছু নয়। আর এর মধ্য দিয়ে আরব জনগণের কাছে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকার যে সোভিয়েত এবং পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার ধারা, তা দ্রুত গতিতেই এগিয়ে চলেছে।
নতুন কোনো পথ তৈরির বদলে গত সাড়ে তিন দশকে ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সমন্বয় বৃদ্ধি করা ছাড়া ফিলিস্তিনি এবং জায়নবাদের প্রতি নিজেদের নীতিতে পরিবর্তন আনতে অস্বীকার করেছে রুশ ফেডারেশন।
এ বাস্তবতাগুলোর আলোকে এটি বেশ আশ্চর্যজনক যে রাশিয়ার শাসকগোষ্ঠীর কেউ এখনো তাদের ব্যর্থ মধ্যপ্রাচ্য নীতি ব্যাপকভাবে পরিবর্তনের কথা ভাবেনি।


