এ লক্ষ্য অর্জনে সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ করা প্রয়োজন। তবে যত দিন জাতীয়করণ সম্ভব হচ্ছে না, তত দিন বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে আধা সরকারি শিক্ষাব্যবস্থা ঘোষণা করা যেতে পারে। বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রারম্ভিক বেতনের ১০০ শতাংশ এবং অন্যান্য ভাতার আংশিক পান। তাঁদের জন্য সরকারি শিক্ষকদের মতো বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট), বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও পূর্ণাঙ্গ পেনশন চালু করা দরকার।
এ ছাড়া সরকারি কলেজের মতো জনবলকাঠামো করা, সরকারি শিক্ষকদের মতো পদোন্নতি এবং আনুপাতিক হারে শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ড, নায়েম ও এনসিটিবি ইত্যাদি) যোগ্যতাসম্পন্ন বেসরকারি শিক্ষকদের লিয়েন বা প্রেষণে নিয়োগের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণের সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কিত ইউনেসকো ও আইএলওর ১৯৬৬ সালের সনদ বাস্তবায়ন করাও জরুরি।
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগে স্বতন্ত্র ‘শিক্ষা সার্ভিস কমিশন’ গঠন করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই স্থানীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে না।


