বেরোবি প্রতিনিধি : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ঘিরে দুই পক্ষের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে দুই পক্ষই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।

শুক্রবার ( ০৯ মে) দুপুর ২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী বেরোবি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়ামের নেতৃত্বে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সকল অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তার পদত্যাগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করতে আসলে বেরোবি বিশ্ববিদয়ালয়ের প্রক্টর, বহিরাঙ্গান পরিচালক ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান সেখানে গিয়ে তাকে সংবাদ সম্মেলন করতে বাঁধা দেন। এবং তার অভিযোগ শুনতে চান। অভিযোগ শুনার এবং অভিযোগের উত্তর দেওয়ার এক পর্যায়ে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের বাঁধা দেয় এবং সংবাদ সম্মেলনের টেবিল খুলে ফেলে। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনকারী সিয়ামকে কলার ধরে হেনস্তা করার অভিযোগ করেছে সিয়াম ।

হামলার শিকার ও অভিযোগকারী শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়াম বলেন, কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে একটি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেই। যা কোনো মনগড়া অভিযোগ নয়। এক পর্যায়ে রেজিস্ট্রার মহোদয় আসেন এবং তিনি মিডিয়ার সামনে জানান তিনি অভিযোগগুলো শুনবেন। অভিযোগ শোনার একপর্যায়ে ছাত্রদল কর্তৃক আমাকে ট্যাগিং করা হয় ।
সিয়াম অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত রাফি; যে আগে ছাত্রলীগের লিফলেট বিতরণ করত, সে আমাকে ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে গলার কলার ধরে মারতে আসে।
এবিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত রাফি বলেন, হাফিজুর রহমান সিয়াম ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন এবং বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে ছাত্রলীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন।
আরও পড়ুনঃ
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘যে শিক্ষার্থী সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল, আমি সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলছিলাম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থী সেখানে আসায় ঝামেলার সৃষ্টি হয়।



