পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষের আইনজীবী আদালতে আগেই জানিয়েছিলেন, নারীর সন্ধান পেতে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। আগামী নভেম্বরের শুনানিতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের দেওয়া হলফনামার ওপর ভিত্তি করে মামলাটি নতুন মোড় নিতে পারে।
এর আগে ২০১৯ সালেও মমতাজ বেগমকে বিদেশি নাগরিক বলে ঘোষণা করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। তবে উচ্চ আদালত আগের সেই রায় খারিজ করে নতুন করে পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, নির্ধারিত দিনে ট্রাইব্যুনালে আইনজীবীকে নিয়ে উপস্থিত হওয়ার পর তাঁর আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আদালতের এই কড়া মনোভাব প্রমাণ করছে, সঠিক আইনি পথ না মেনে কাউকে বহিষ্কার করা হলে প্রশাসনকে দায়বদ্ধ থাকতে হবে। এই মামলার পরবর্তী ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছে, সীমান্তপারের মানবিক পরিস্থিতি ও আইনি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ পথরেখা।
সম্প্রতি, বেশ কয়েকবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ও রাজ্যের আদালত এই ধরনের নির্দেশ দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর সমালোচনা করেছেন।


