এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতিও বাজারে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। গত শনিবার তিনি হুঁশিয়ারি দেন, কানাডা যদি চীনের সঙ্গে কোনো বাণিজ্যচুক্তি করে, তাহলে দেশটির ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
অনিশ্চয়তার সময়ে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুকে ‘নিরাপদ আশ্রয়’ হিসেবে দেখেন। ফলে যা হওয়ার তা–ই হচ্ছে। গত শুক্রবার এই প্রথম রুপার দাম আউন্সপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। গত বছর রুপার দাম প্রায় ১৫০ শতাংশ বেড়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন বছরেও রূপার দাম বাড়ছে।
অন্যান্য বেশ কয়েকটি কারণেও মূল্যবান এই ধাতুর চাহিদা বেড়েছে। এর মধ্যে আছে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মূল্যস্ফীতি, দুর্বল মার্কিন ডলার, বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা কেনা ও যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ এ বছর আবারও সুদের হার কমাতে পারে—এমন প্রত্যাশা।
ইউক্রেন ও গাজায় চলমান যুদ্ধ, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলে নিয়ে আসা—এসব কারণেও সোনার দাম বেড়েছে।

