
মাদ্রিদ, ২০ জুলাই – বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম খোদাই করেছেন স্পেনের বিস্ময়বালক লামিনে ইয়ামাল। স্পেনের শুরুর একাদশে জায়গা করে নিয়ে ১৯ বছর ৬ দিন বয়সে তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলা ইতিহাসের তৃতীয় কনিষ্ঠতম ফুটবলার হওয়ার গৌরব অর্জন করতে যাচ্ছেন।
ইয়ামালের পাশাপাশি স্পেনের আরেক তরুণ রক্ষণভাগের খেলোয়াড় পাউ কুবারসিও এক বিরল কীর্তি গড়েছেন। ১৯ বছর ১৭৮ দিন বয়সে তিনি এই তালিকার চতুর্থ স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন। বিশ্বকাপ ফুটবলের সুদীর্ঘ ইতিহাসে ১৯ বছর পূর্ণ করার আগেই ফাইনাল খেলার কৃতিত্ব রয়েছে মাত্র দুইজন ফুটবলারের।
১৯৫৮ সালে মাত্র ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে ব্রাজিলের হয়ে ফাইনালে জোড়া গোল করে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন কিংবদন্তি পেলে। এর পর ১৯৮২ সালে ১৮ বছর ১৭৪ দিন বয়সে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ইতালির হয়ে ফাইনাল খেলেছিলেন জিউসেপ্পে বারগোমি। এই দুই তারকাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেয়েছিলেন।
রবিবারের এই মহারণের আগে তালিকার তৃতীয় স্থানে ছিলেন ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ফাইনালে ১৯ বছর ২০৭ দিন বয়সে মাঠে নেমে গোলও করেছিলেন তিনি। তবে এবার তাকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন স্পেনের দুই উদীয়মান তারকা। ইয়ামাল তালিকার তৃতীয় এবং কুবারসি চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছেন।
বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার মাধ্যমে ইয়ামালের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো আরও একটি মাইলফলক। এর আগে তিনি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় ও গোলদাতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে নজর কেড়েছিলেন।
মাত্র ১৭ বছর বয়সেই ইউরোর শিরোপা জেতার দুই বছরের মধ্যে তিনি নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছালেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে স্পেন।
এস এম/ ২০ জুলাই ২০২৬




