রেলওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে রেজিয়া বেগমের খণ্ডবিখণ্ড লাশ উদ্ধার হয়। পরে পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। স্বজনেরা জানিয়েছেন, ওই নারী বার্ধক্যের কারণে কানে কম শুনতেন। এ কারণে তিনি ট্রেন আসার শব্দ শুনতে পাননি বলে ধারণা স্বজনদের।
জানতে চাইলে ফেনী রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান ট্রেনে কাটা পড়ে দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দুজনের লাশ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পৃথক দুটি ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে।



