ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে প্রেমিকের অন্যত্র বিয়ে ঠিক হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন ২৬ বছর বয়সী এক সফটওয়্যার প্রকৌশলী। নিহত তরুণীর নাম কীর্তি। তিনি অন্ধ্র প্রদেশের গুন্টুর জেলার বাসিন্দা ছিলেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অন্ধ্র প্রদেশের প্রকাশম জেলার পন্ডুরু গ্রামের বাসিন্দা সাই সুমন্থের সঙ্গে কীর্তির প্রায় আট বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সুমন্থের পরিবারের উদ্যোগে অন্য এক নারীর সঙ্গে তার বিয়ের আয়োজন করা হলে কীর্তি গভীর মানসিক সংকটে পড়েন।
গত ১৪ জুলাই মুম্বাইয়ে নিজের পেইং গেস্ট (পিজি) আবাসনে আত্মহত্যা করেন তিনি।
মৃত্যুর আগে পরিবারের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠিতে কীর্তি নিজের শেষ ইচ্ছার কথা উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি অনুরোধ করেন, তার মরদেহ যেন প্রেমিকের গ্রামের শ্মশানে দাহ করা হয়। পাশাপাশি দাহের আগে তার গলায় ‘থালি’ (দক্ষিণ ভারতে বিবাহের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত মঙ্গলসূত্র) পরিয়ে দেওয়ারও ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
১৬ জুলাই ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে প্রকাশম জেলার পন্ডুরু গ্রামে প্রেমিকের বাড়ির সামনে যান। সেখানে তারা বিক্ষোভ শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
খবর পেয়ে তাঙ্গুতুরু থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা এবং পুলিশের উপস্থিতিতে পন্ডুরু গ্রামেই কীর্তির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। তবে আত্মহত্যার ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়েছে কি না কিংবা প্রেমিকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ আনা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র: এনডিটিভি



