২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে নেমে কঠিন পরীক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। প্রতহমার্ধে এগিয়ে গিয়েো লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। বিরতিতে যাওয়ার শেষ মিনিটে সমতায় ফেরে কঙ্গো।
হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে বুধবার রাতে ১-১ গোলে সমতায় প্রথমার্ধ শেষ করেছে দুই দল। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে জোয়াও নেভেস গোল দিয়ে পর্তুগালকে এগিয়ে দিলেও প্রধমার্ধের শেষ দিকে গোল হজম করে তারা। যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের ৫ মিনিটে দুর্দান্ত গোলে সমতা ফেরান ইয়োয়ানে উইসা।
উইসার গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, গড়েছে ইতিহাসও। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ডিআর কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোলদাতা হিসেবে নাম লেখান তিনি। এর আগে দলটি টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে ১৪টি গোল হজম করলেও কোনোবারই প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠাতে পারেনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণাত্মক ফুটবলে প্রাধান্য বিস্তার করে পর্তুগাল। ষষ্ঠ মিনিটেই তারা কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায়। বাম প্রান্ত থেকে পেদ্রো নেতোর দারুণ ক্রসে হেড করে বল জালে জড়ান নেভেস, ফলে ১-০তে এগিয়ে যায় পর্তুগিজরা।
গোলের পরও পর্তুগাল খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রাখে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ডিআর কঙ্গোও ম্যাচে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে শুরু করে। রক্ষণভাগে অধিনায়ক চ্যান্সেল মবেম্বার দৃঢ় পারফরম্যান্স দলকে ভরসা জোগায়, আর আক্রমণে উইসা কয়েকবার সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেন।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে ডিআর কঙ্গো একটি কর্নার আদায় করে নেয়। সেই কর্নার থেকেই আসে তাদের ফুটবল ইতিহাসের স্মরণীয় মুহূর্ত। ডান দিক থেকে ভেসে আসা বল ফার পোস্টে থাকা সম্পূর্ণ ফাঁকায় দাঁড়ানো উইসার কাছে পৌঁছালে তিনি উঁচুতে লাফিয়ে শক্তিশালী হেডে জালে পাঠান। এই গোলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গোলের দেখা পায় ডিআর কঙ্গো এবং স্কোরলাইন ১-১ সমতায় ফেরে।



