বাসাইল পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, তিনটি জবাইকৃত ঘোড়া, সাতটি ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি সেখান থেকে এনে অন্যত্র পুঁতে রাখা হয়েছে। আর ঘটনাস্থল পরিষ্কার করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, বাসাইল বা আশপাশের এলাকায় খুব বেশি ঘোড়া লালনপালন করা হয় না। অন্য কোথাও থেকে ঘোড়াগুলো এনে নির্জন পরিত্যক্ত বাড়িটিতে জবাই করা হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে মফিজ মিয়া নামের একজন বলেন, ‘বিষয়টি জানতে পেরে দেখতে এসেছি। এখানে ১০টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতটির মাংস নিয়ে গেছে আর তিনটি রেখে গেছে। তারা হয়তো কোনো হোটেলে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে গেছে। এর আগেও উপজেলার নাইকানীবাড়ী ও গাজীর ভাঙ্গা এলাকায় ঘোড়া মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি ফেলে গিয়েছিল।’