অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘নতুন যে বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখি রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সব সময় একটা অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে যে তাঁরা যেকোনো অপরাধকে ঢাকার চেষ্টা করেন। অপরাধী নিজদলীয় লোকজনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না। কিংবা তাদের একরকম প্রশ্রয় দেওয়ার চেষ্টা করেন। আজকের এই ঘটনা প্রমাণ পেল যে উনি (তারেক রহমান) কাউকে আসলে এ ধরনের কোনো প্রশ্রয় যে কথা দিতে চান না বলে পাবলিকলি বলেন, তা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করলেন।’
‘ইটস অ্যা ভেরি ক্লিয়ার মেসেজ’
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমি মনে করি যে একটা শৃঙ্খলা দরকার। এই শৃঙ্খলা রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ছাড়া একটা দেশের মধ্যে কিন্তু শৃঙ্খলা আসবে না। আপনি যত ভালো কাজই করেন না কেন, যদি আপনার অনেক ভালো কাজ কোনো একটা খারাপ কাজ দ্বারা কিন্তু আপনার ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। টোটাল আপনার অর্জনটাকে ম্লান করে দিতে পারে। আমার ধারণা তারেক রহমান চাচ্ছেন না যে তাঁর এত অর্জনের মধ্যে কেউ কোনো ম্লান করার কোনো সুযোগ পায়। ইটস অ্যা ভেরি ক্লিয়ার মেসেজ। শুধু তাঁর দলের নেতা-কর্মী না, বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিকের জন্য—এটা একটা মেসেজ যে আমাদের সামনে কোনো কারণে রাষ্ট্রকে ক্ষতি করলে কোনো একটা ব্যবস্থাপনা আসলে কারও বিরুদ্ধে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলেও তিনি যেকোনো এ ধরনের একটা বড় ধরনের সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে পারেন—এই বার্তাটাই সবচেয়ে বড় বার্তা।’
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘নাগরিক হিসেবে মনে করি, তিনি (তারেক রহমান) যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি তিনি যে পদত্যাগ করেছেন, দলীয় প্রধান এবং সংসদ নেতার কথার পরিপ্রেক্ষিতে, তিনিও একটা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন।’

