দেশে জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে নেমেছে। জুনে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। ফলে এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশীয় পয়েন্ট।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত জুলাই মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এরপর জুলাইয়ের ৮ দশমিক ৩২ শতাংশই মূল্যস্ফীতির সর্বনিম্ন হার।
চলতি বছরের মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে উঠেছিল, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪ শতাংশ। এরপর জুনে তা কমে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নেমে আসে।
জুলাইয়ে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে। তবে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কমার ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্যের দাম কমার প্রভাব বেশি ছিল।
জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুনে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। আর গত বছরের জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশীয় পয়েন্ট। ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর এটিই খাদ্য মূল্যস্ফীতির সর্বনিম্ন হার।
অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। জুনে এ খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। জুলাইয়ে তা কমে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে গত বছরের একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
ফলে সামগ্রিক ও খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি এখনো ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে।


