তাজরিশ স্কয়ারের সমাবেশের ঠিক কোনায়, ‘সিনেমা মিউজিয়াম অব ইরানের’ পাশের একটি শান্ত পার্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের খোলা আকাশের নিচে বইয়ের স্টল ঘুরে দেখতে এবং চা পান করতে দেখা গেছে। সেখানে যুগলদের হাত ধরাধরি করে হাঁটতেও দেখা গেছে। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক তরুণ বলে উঠলেন, ‘যুদ্ধকে না বলুন।’
পার্কের একটি বেঞ্চে স্বামীর পাশে বসে ছিলেন এক নারী। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিএনএনের এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা দুজনেই কতটা মরিয়াভাবে ইরানের পরিবর্তন চান, তা তাঁর কথায় ফুটে ওঠে। তিনি ইংরেজিতে ফিসফিস করে বললেন, ‘আমরা একটি স্বাভাবিক দেশে বাস করতে চাই, যেখানে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ আছে।’
একই পার্কে অন্য এক তরুণী বললেন, ‘আমরা শান্তি চাই।’ ইরানের জনমত কতটা ভিন্ন, তা এসব মতামত থেকে বোঝা যায়।
কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পরিবেশ দিন দিন যেভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং নতুন করে যুদ্ধ শুরুর যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে মনে হচ্ছে, সরকারি বার্তা ছাড়া বাকি সব কণ্ঠস্বর স্তিমিত হয়ে পড়ছে।


