জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সমতায় ফেরার জন্য দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের জন্য মাঝারি লক্ষ্যে ব্যাট করছিল বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম ও নুরুল হাসান সোহানের সাথে তাওহীদ হৃদয়ের বড় দুটি জুটিতে জয়ের পথেই ছিল টিম টাইগার্স। শেষদিকের ব্যাটারদের দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে পথ কঠিন করে ১৩ রানে হারের সাথে এক ম্যাচ আগেই সিরিজেও হেরে গেছে বাংলাদেশ।
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। জিম্বাবুয়ে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান তোলে। জবাবে বাংলাদেশ ৪৮.১ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ২৩৪ পর্যন্ত যেতে পারে।
ওপেনিংয়ে এদিনও ব্যর্থ হয়েছেন সৌম্য সরকার। তার থেকে এসেছে মাত্র ৫ রান। ৫৭ রান করে ব্রায়ান বেনেটের বলে বোল্ড হয়েছেন আরেক ওপেনার তানজিদ তামিম। ৯ রান করে আউট হয়েছেন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ৬০ রানের ইনিংস খেলেছেন টি-টুয়েন্টি অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া হৃদয়। ৯০ বল খেলেছেন, চার মেরেছেন ৫টি। ৩৮ রান আসে নুরুল হাসান সোহানের থেকে। অধিনায়ক মিরাজ ২৭ রান করে আউট হন।
জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা নেন ৩টি উইকেট। ব্লেসিং মুজারাবানী ও ব্রাড ইভান্স নেন ২টি করে উইকেট। একটি করে উইকেট নেন সিকান্দার রাজা, ব্রায়ান বেনেট ও ওয়েসলি মাধেভেরে।
আগে শুরুতেই ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরান তাসকিন আহমেদ। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ক্রেইগ আরভিনও তেমন রান পাননি। অন্যপ্রান্ত ধরে রাখেন বাঁহাতি ওপেনার কারেন, ৫০ ওভার টিকে থাকেন তিনি।
কারেন সেঞ্চুরি তুলে ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ৯ চারের মার, বল খেলেছেন ১৩৫টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৮ রান আসে ব্রাড ইভান্সের থেকে, ৩৮ বল খেলে এ রান করেছেন তিনি। ৩৩ রান করেন সিকান্দার রাজা।
বাংলাদেশের তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ২টি করে উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন।



