‘গুলি হচ্ছে, আতঙ্কে আছি,’ পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার আকুতির মধ্যেই প্রাণ গেল রমজানের

মঞ্জুরা বেগম বলেন, তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে কোয়েটায় আরও কয়েকজন বাংলাদেশি থাকেন। তাঁদের একজন কক্সবাজারের বাসিন্দা ফোন করে রমজানের নিহত হওয়ার খবর দেন। এর পর থেকেই তাঁরা তাঁর লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

মঞ্জুরা বলেন, দেশে ফিরে ব্যবসা করার পরিকল্পনা ছিল রমজানের। এ জন্য প্রায় চার লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। বাড়ির লোকজনও তাঁর জন্য একটি দোকান ভাড়া করে রেখেছিলেন।

জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিএসবি) এসআই হুমায়ুন কবির প্রথম আলোকে বলেন, প্রায় পাঁচ মাস আগে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) থেকে রমজান আলীর ঠিকানা ও পরিবারের সদস্যদের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। যাচাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এরপর কী হয়েছে, তা তাঁদের জানা নেই।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কেউ সহযোগিতা চাননি। বিষয়টি তাঁদের জানা নেই।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফকরুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তানে সীতাকুণ্ডের কোনো বাসিন্দা সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হওয়ার বিষয়ে তাঁকে কেউ জানায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও বিষয়টি জানানো হয়নি।

Scroll to Top