কালীপুজোর রাতে এ কী করল পুলিশ? আহত ৫, রেল গুমটিতে অবরোধ স্থানীয়দের… বিরাট অভিযোগ!

কালীপুজোর রাতে এ কী করল পুলিশ? আহত ৫, রেল গুমটিতে অবরোধ স্থানীয়দের… বিরাট অভিযোগ!

Last Updated:

কোচবিহারে কালীপুজোর রাতে দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আহত মল্লিকা কার্জি সহ পাঁচজন। সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে, এলাকায় উত্তেজনা ও পুলিশ মোতায়েন!

কালীপুজোর রাতে এ কী করল পুলিশ? আহত ৫, রেল গুমটিতে অবরোধ স্থানীয়দের… বিরাট অভিযোগ!
News18

রাজেশ দাশ ,কোচবিহার- কোচবিহার শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রেল গুমটি এলাকায় কালীপুজোর রাতে প্রতিবেশীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে জেলা পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। সোমবার গভীর রাতে নিজের বাংলোর সামনে বাজি পোড়ানো নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। অভিযোগ, রাত প্রায় বারোটার সময় বাংলো থেকে বেরিয়ে এসে হাতে বাঁশের লাঠি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন যুবক ও নাবালকের উপর চড়াও হন পুলিশ সুপার। ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আইনজীবী মল্লিকা কার্জিও রয়েছেন। ঘটনাটির সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে পুলিশ সুপার লাঠি হাতে মারধর করছেন বলে অভিযোগ।

মল্লিকা কার্জি জানিয়েছেন, তাঁর বাড়ির সামনেই এই ঘটনাটি ঘটে এবং তিনিও আঘাত পান। মঙ্গলবার সকালে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা এলাকায় জমায়েত হয়ে প্রতিবাদে সরব হন। অভিযোগ, ঘটনার কিছুক্ষণ পর কয়েকটি পুলিশ গাড়ি এসে এলাকায় ভাঙচুর চালায়, এমনকি একটি দোকানও ভাঙচুর করা হয়। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন না কোনও মহিলা পুলিশ সদস্য। মল্লিকা কার্জি জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি ইতিমধ্যেই বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াতে জানিয়েছেন, পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও জানাবেন এবং হাইকোর্টে মামলা দায়ের করবেন।

অন্যদিকে, পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, “এমন কিছু ঘটেনি। সন্ধ্যা থেকেই ওরা বাজি ফাটাচ্ছিল, নিরাপত্তারক্ষীরা বারবার সতর্ক করেও কাজ হয়নি। রাত একটা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো চলছিল, এমনকি বাংলোর ভিতরেও আতসবাজি এসে পড়ছিল, এতে বাংলোয় থাকা পশুরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।”

এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে রেল গুমটি এলাকায় স্থানীয়রা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অবরোধ তুলতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। বর্তমানে গোটা এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ও অশান্তি ছড়িয়েছে, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Scroll to Top