দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন দরে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১০০ টাকা কমে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা কমে ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই হিসেবে আজকের বাজারেও েএই দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ।
বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি (খাঁটি) স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগে ২৭ জুলাই স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল।
চলতি অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের ওপর ২ হাজার ৫০০ টাকা ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে গয়না কেনার সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া হবে না; এটি স্বর্ণের দামের সঙ্গেই সমন্বয় করা হচ্ছে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমেছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ২ হাজার ৮৫৭ টাকায় বিক্রি হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম কমেছে। এ দিন স্বর্ণের দাম ০.৮ শতাংশ পর্যন্ত কমার তথ্য দিয়েছে রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৮টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৮ শতাংশ কমে ৪,০৪২.২৯ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দামও ০.৮ শতাংশ কমে ৪,০৪২.৮০ ডলারে দাঁড়ায়।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার-সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। একই সঙ্গে ডলারের শক্তিশালী অবস্থানও মূল্যবান ধাতুটির দামে চাপ সৃষ্টি করেছে।
ফেডের দুই দিনব্যাপী বৈঠক শেষে ঘোষিত নীতিগত সিদ্ধান্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হারের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা সম্পর্কে ইঙ্গিত পাওয়ার প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।
সাধারণত ডলারের মান শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে, ফলে এর চাহিদা ও দাম উভয়ই কমার প্রবণতা দেখা যায়।
সূত্র: রয়টার্স



