আকবরনগরের বাসিন্দা আহসান উল্লাহ বলেন, ‘আমার বাড়ি, আমার ঘর। মিরারচরের মানুষই আমাদের গ্রামের ওপর দিয়া বাজারে আসা–যাওয়া করে। তাহলে আমার নাম–পরিচয়ের ভাগ অন্যরে দিমু কেন?’
অন্যদিকে মিরারচরবাসীর বক্তব্য, বাজারটি দুই গ্রামের যৌথ উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এবং তিন দশকের বেশি সময় যৌথভাবেই পরিচালিত হয়েছে। তাই হঠাৎ সাইনবোর্ডে তাঁদের গ্রামের নাম বাদ দেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। শুধু একটি গ্রামের নামে সরকারি সাইনবোর্ড দেওয়া ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মিরারচরের বাসিন্দা ও বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক বরজু মিয়া বলেন, ‘বাজার প্রতিষ্ঠা করেছি দুই গ্রামের মানুষ মিলে। পরিচালনাও ভাগাভাগি করে করছি। তাহলে সাইনবোর্ডে শুধু এক গ্রামের নাম থাকবে কেন?’
মিরারচরের একাধিক বাসিন্দার দাবি, হয় আগের মতো ‘আকবরনগর-মিরারচর বাজার’ নাম ফিরিয়ে দিতে হবে, নয়তো মিরারচরের নামও সমানভাবে যুক্ত করতে হবে।


