ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যে ধরনের চুক্তিই করুক না কেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে তা মেনে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তারই রয়েছে।
ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহুর সামনে অন্য কোনো বিকল্প থাকবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমিই নিই। সব সিদ্ধান্ত আমি নিই। তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেউ নন।
একই সময়ে ফক্স নিউজকে দেওয়া পৃথক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার পরামর্শ দেবেন। তার এই অবস্থান ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের ইঙ্গিতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান আলোচনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, চুক্তির ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না। আলোচনা তার নিজস্ব গতিতেই এগোবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষ্য, সাম্প্রতিক হামলাটি বড় ধরনের কৌশলগত পরিবর্তন আনার মতো ঘটনা নয়। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত বহু দশক ধরে চলে আসছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিও সেই দীর্ঘ সংঘাতেরই অংশ।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে ট্রাম্প কিছুটা সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে, তবে শেষ পর্যন্ত কী হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।
তবে কোনো কারণে চুক্তি ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিতে পারে, সে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে ইরানে কমান্ডো অভিযান চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।




