আদালতে চুক্তিপত্র দেখিয়ে জামিন, পরে বেরিয়ে এল জালিয়াতির তথ্য

জামিনের পর এই মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার তারিখ ছিল ৯ আগস্ট। কিন্তু সেদিন তাঁরা আদালতে হাজির হননি।

এরপর আদালত তাঁদের জামিন বাতিল করে চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে আদালতে দাখিল করা কথিত চুক্তিপত্রের বিষয়ে জাল নথি ও প্রতারণার অভিযোগে আলাদা মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ আগস্ট উত্তরা পশ্চিম থানায় নতুন মামলা করেন ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. হেলাল উদ্দিন।

নতুন মামলায় দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২, ৪৬৫, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৩৪ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, আসামিরা জাল দলিল তৈরি ও ব্যবহার করেছেন, আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন এবং পরস্পরের যোগসাজশে এসব করেছেন।

এসআই হেলাল উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আসামিরা আদালতকে ভুল বুঝিয়ে জামিন নিয়েছেন। জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা চুক্তিপত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছিল।

হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, আদালত এক হাজার টাকার বন্ডে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত আসামিদের জামিন দিয়েছিলেন। পরে ভুক্তভোগী পক্ষ চুক্তিপত্রের বিষয়ে আপত্তি জানালে আদালত তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তে নথিটি জাল বলে উঠে আসে। এরপর আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়।

Scroll to Top