অবশেষে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনতে পারল চীন | চ্যানেল আই অনলাইন

অবশেষে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনতে পারল চীন | চ্যানেল আই অনলাইন

ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বের চুক্তি সম্পন্ন করেছে চীন। উদ্বোধনী ম্যাচের ২৭ দিন আগে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার চাওয়া মূল্যের চেয়ে কম দামেই চুক্তি সম্পন্ন করেছে দেশটি। শুক্রবার ফিফার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে এশিয়ার দেশটি।

ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চীনা মিডিয়া গ্রুপের সঙ্গে এ চুক্তিটি ২০৩১ সাল পর্যন্ত, পরবর্তী ছেলে ও মেয়েদের মিলিয়ে চারটি বিশ্বকাপ সম্প্রচারের আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে হতে চলা ৪৮ দলের ১০৪ ম্যাচের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফিফা টুর্নামেন্টও অন্তর্ভুক্ত।

শুক্রবার চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত গণমাধ্যম জানিয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বত্বের মূল্য ৬০ মিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে চীনের দাবি শুরুতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছিল ফিফা।

এশিয়ার আরেক দেশ ভারতের সঙ্গে অবশ্য এখনও চূড়ান্ত হয়নি ফিফার সম্প্রচার স্বত্ব চুক্তি। ফলে উপমহাদেশের একটি বড় সংখ্যক দর্শক এখনও অনিশ্চিত কীভাবে বিশ্বকাপ দেখা যাবে। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান।

চলতি সপ্তাহে চীনা ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকের জন্য চীনে ছিলেন ফিফার মহাসচিব ম্যাটিয়াস গ্রাফস্ট্রম। ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মহাসচিব এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সিএমজির সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত।’

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো জুড়ে ১৬টি আয়োজক শহরের সাথে বেইজিংয়ের ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত সময়ের পার্থক্যের কারণে চীনে ফিফার প্রভাব কম ছিল। এছাড়াও দলটি আসন্ন বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেনি।

চীনা কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে একটি বড় বিনিয়োগ করেছে, যা থেকে ফিফা ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রযুক্তি সংস্থা লেনোভো ফিফার আটটি শীর্ষ-স্তরের পৃষ্ঠপোষকতা অংশীদারদের মধ্যে অন্যতম, এবং দুগ্ধজাত পণ্য প্রস্তুতকারক সংস্থা মেংনিউ ও ইলেকট্রনিক্স নির্মাতা হাইসেন্স দ্বিতীয়-স্তরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চীনা বহুজাতিক সংস্থা ওয়ান্ডা ২০১৬ সালে ফিফার সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল, যা দুই বছর আগে বাতিল করা হয়।

২০৩০ বিশ্বকাপের টিভি স্বত্বের মূল্য প্রকাশ করা হয়নি, অবশ্য সে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য বিট করেছিল চীন, যা ওয়ান্ডার মতে ফিফার সাথে তাদের কৌশলের অংশ ছিল। কোভিড-১৯ মহামারীর সময় আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের দেশটির উচ্চাকাঙ্ক্ষা থমকে গিয়েছিল। তবে ২০৩০ সালের পুরুষদের টুর্নামেন্টটি মূলত স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কোতে অনুষ্ঠিত হবে, এবং বর্তমানে আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে ও ১৯৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক দেশ উরুগুয়েতে কয়েকটি করে ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে।

Scroll to Top