
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ধর্ষণের পর ৭ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষক জাহিদুলকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।
জাহিদুল নিহত কন্যাশিশুটির চাচাতো চাচা।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত জাহিদুল পেশায় রাজমিস্ত্রি। শুক্রবার সকালে এক গ্লাস পানি আনার কথা বলে শিশুটিকে পাশের নিজের ঘরে ডেকে নেন তিনি। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করার পর তার চিৎকার থামাতে বালিশ চাপা ও গলা চেপে হত্যা করে।
পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা করে দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রবাসী আলমগীরের বাড়ির একটি কক্ষ থেকে জাহিদুলকে হেফাজতে নেয়। এ সময় খবর পেয়ে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে পুলিশ ও জাহিদুলকে ঘেরাও করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। শত শত মানুষ প্রায় তিন ঘণ্টা ভবনটি ঘেরাও করে রাখেন। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং জাহিদুল আহত হন।
পরে জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জাহিদুলকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। নিহত শিশুটির মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নিহত শিশু স্থানীয় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার হেফজ শাখার শিক্ষার্থী ছিলেন।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…


