৪৪ বছর পর কারামুক্তি, দেশের উন্নয়ন দেখে চমকে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের জনসন

৪৪ বছর পর কারামুক্তি, দেশের উন্নয়ন দেখে চমকে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের জনসন

দীর্ঘ ৪৪ বছর কারাগারে কাটানোর পর মুক্তি পেয়ে দেশে বর্তমান চেহারা দেখে একেবারেই অচেনা মনে হয়েছিল তার। ১৯৭৫ সালের পর থেকে সমাজের মূল স্রোত থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন থাকা মানুষটির চোখে আধুনিক বিশ্ব ও তার দেশ যেন এক ভিন্ন বাস্তবতা; যেখানে কানে তার লাগানো মানুষজন নিজে নিজে কথা বলছে, আর সবাই যেন গোপন কোনো এজেন্ট।

৪৪ বছর পর কারামুক্তি, দেশের উন্নয়ন দেখে চমকে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের জনসন

এক পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় সাজাভোগ শেষে ২০১৪ সালের আগস্টে কারামুক্ত হন জনসন। সাজা শুরুর সময় তার বয়স ছিল ২৫ বছর, মুক্তির সময় তিনি ছিলেন ৬৯ বছর বয়সী। যদিও তার মুক্তি আরও আগেই হওয়ার কথা ছিল, তবে কিশোর বয়সে করা একটি দোকানচুরির মামলার কারণে তাকে অতিরিক্ত আট মাস কারাভোগ করতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে জনসনের মতো দীর্ঘমেয়াদি সাজা শেষে মুক্তি পাওয়া বন্দির সংখ্যা খুবই কম। বিচার পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে অন্তত ২০ বছর সাজা কাটিয়ে মুক্তি পান প্রায় ৩ হাজার ৯০০ বন্দি, যা ওই বছর মুক্তিপ্রাপ্ত মোট অঙ্গরাজ্য বন্দির এক শতাংশেরও কম।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে কারাগার সংস্কার নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শেষ মেয়াদে বন্দিদের পুনর্বাসন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এক বক্তব্যে ওবামা বলেন, ভুল করা মানুষের জন্য সঠিক পথে ফেরার সুযোগ থাকা উচিত।

বাংলাদেশকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলো আইসিসি

তবে মাদক ও অহিংস অপরাধে সাজা কমানোর উদ্যোগের পাশাপাশি নতুন করে আলোচনায় এসেছে বয়স্ক বন্দিদের বিষয়টি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী বন্দির সংখ্যা বেড়েছে ২৫০ শতাংশ। ফলে এই বয়সী বন্দিদের দেখভাল ও পুনর্বাসন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

Scroll to Top