১৫ মাসেও রিকশাচালক হত্যার তদন্ত শেষ হয়নি, আপসের চেষ্টা আলোচনায়

১৫ মাসেও রিকশাচালক হত্যার তদন্ত শেষ হয়নি, আপসের চেষ্টা আলোচনায়

কত টাকা দেওয়া হয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বলেননি। তবে বলেছেন, ‘টাকা দিয়েছে। মামুন নিজেই টাকা বুঝিয়ে দিয়েছেন। একটা কাগজে কী যেন লেখা ছিল, তাতে সই দিতে হয়েছে। কাগজটা আমাকে দেয়নি। পরে দুজনের সঙ্গে আমাকে থানায় পাঠানো হয়েছিল তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে। তদন্ত কর্মকর্তাকে আমি আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে এসেছি।’

পরি বানু আরও জানান, যে টাকা পেয়েছেন, তা দিয়ে মেয়ের নামে গ্রামে দুই কাঠা জমি কিনেছেন। আরও দেড় লাখ টাকা পাবেন। আদালতে যেদিন মামলা নিষ্পত্তি হবে সেদিন এ টাকা পাবেন। টাকা না দিলে কী করবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না দিলে না দিবে।’একটু থেমে আবার বলেন, ‘টাকা দিবে।’

এই মামলা আপসের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।’ পরি বানুর দাবির বিষয়েও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এদিকে মামলার আসামি শাহ মখদুম থানা বিএনপির আহ্বায়ক সুমন সরদার ও চন্দ্রিমা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ফাইজুর হক তাদের অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (এ) ধারামতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এই পর্যায়ে মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করেছেন।
আপসের ব্যাপারে মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা নগরের বোয়ালিয়া থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাননি।

জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার গাজিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হত্যা মামলা আপসযোগ্য নয়। এর বেশি তিনি আর কিছু বলতে চাননি।

Scroll to Top