১৩ খাতের শ্রমিকের মজুরি বাড়াতে হবে আগামী বছর

১৩ খাতের শ্রমিকের মজুরি বাড়াতে হবে আগামী বছর

বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক খাতের সর্বশেষ মজুরিকাঠামো ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। ওই বছর মজুরি বোর্ড গঠন হওয়ার পর শ্রমিকেরা আন্দোলনে নামেন। সেই আন্দোলনে ৪ জন শ্রমিক নিহত হন। অনেক শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়। শেষ পর্যন্ত ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়। যদিও এই মজুরি বৈশ্বিক বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক অনেক দেশের চেয়ে কম।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘তিন বছর অন্তর মজুরি মূল্যায়নকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। তবে একটি মানদণ্ড নির্ধারণ বেশি জরুরি ছিল। আগে থেকেই আইনে জীবনযাত্রা ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মজুরি নির্ধারণের কথা রয়েছে। তবে দুই পক্ষের টানাটানির পর রাজনৈতিক বিবেচনায় মজুরি চূড়ান্ত করা হয়। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক, বিবিএসসহ বিভিন্ন দপ্তরের তথ্য উপাত্ত বিচার-বিশ্লেষণ করে জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনা নিয়ে মজুরি নির্ধারণ করা উচিত।’

সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণে বর্তমান ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মানদণ্ড ও সরকারের নীতি সুনির্দিষ্ট করা প্রয়োজন। এখানে নাগরিকের মর্যাদা ও উৎপাদনে নিযুক্ত ব্যক্তির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই মর্যাদাপূর্ণ জীবনধারণের উপযোগী মজুরি পাবেন শ্রমিকেরা, যা সামাজিক ন্যায়বিচারে অবদান রাখবে।

Scroll to Top