
বাড়ি থেকে কাজ করাকে অনেকেই স্বাচ্ছন্দ্যের বলে মনে করেন। তবে ভারতের এক নারী কর্মী মোহিনী চাভানের অভিজ্ঞতা ছিল ভিন্ন। টানা দুই সপ্তাহ বাসা থেকে কাজ করার পর তিনি বুঝেছেন, অফিস ও বাসা মিলিয়ে কাজ করার হাইব্রিড পদ্ধতিই তার জন্য বেশি উপযোগী।
ইনস্টাগ্রামে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে মোহিনী বলেন, স্থায়ীভাবে বাড়ি থেকে কাজ করার সুযোগ অনেক কর্মীর কাছে আকর্ষণীয় মনে হলেও দুই সপ্তাহের অভিজ্ঞতা তাকে মানসিকভাবে বেশ ক্লান্ত করে ফেলেছে। একই রুটিনে আটকে থাকার অনুভূতিও হয়েছে তার।
মোহিনীর কর্মপ্রতিষ্ঠানে সাধারণত হাইব্রিড পদ্ধতিতে কাজ হয়। তবে বছরে দুই সপ্তাহ কর্মীদের পুরোপুরি বাড়ি থেকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়। দূরের শহরে বসবাসকারী কর্মীরা অনেক সময় এই সুযোগে নিজ শহর বা বাড়িতে ফিরে যান। কিন্তু অফিসের মতোই বাড়িতে থেকেও একই পরিমাণ কাজ করতে হয় বলে জানান তিনি।
মোহিনী বলেন, টানা দুই সপ্তাহ বাড়িতে থেকে কাজ করার পর তার মনে হয়েছে মস্তিষ্ক যেন পুরোপুরি ক্লান্ত হয়ে গেছে। তার মনে হচ্ছিল, এই পুরো সময়ে তিনি বাড়ির বাইরে বেরই হননি।
এমনকি সপ্তাহান্তেও খুব একটা পরিবর্তন আসেনি বলে জানান তিনি। ছুটির দুই দিনের মধ্যে মাত্র একদিন বাইরে বের হয়েছিলেন। বাকি সময়ও একই রুটিনে কেটেছে। কাজ, খাওয়া-দাওয়া এবং আবার একই কাজ, এভাবেই প্রতিদিন কেটে গেছে।
এ কারণে দুই সপ্তাহ পর আবার হাইব্রিড পদ্ধতিতে ফিরতে পেরে স্বস্তি পাওয়ার কথা জানান মোহিনী। তার মতে, সপ্তাহে কয়েক দিন অফিসে যাওয়ার সুযোগ থাকায় কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনে বৈচিত্র্য আসে।
তিনি বলেন, অফিসে গিয়ে নতুন খাবার খাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, নতুন কিছু শেখা, গল্প করা এবং অন্যদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। পাশাপাশি কিছুটা বাইরে ঘোরাফেরাও হয়, যা মানসিকভাবে ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করে।
স্থায়ীভাবে বাড়ি থেকে কাজ করা কর্মীদের প্রতি আবারও প্রশংসা জানিয়ে মোহিনী বলেন, ‘আমি জানি না তারা কীভাবে এটা সামলে নেন।’ তার মতে, তার জন্য হাইব্রিড পদ্ধতিই সবচেয়ে ভালো।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…