শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা ও উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘হুজ হু বাংলাদেশ-২০২৬’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল শেরাটন-এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

এবার আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও মিডিয়া সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরায় তাঁর দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান দেওয়া হয়।

শিল্প ও সংস্কৃতি বিভাগে সম্মানিত হয়েছেন অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার পপি (ববিতা)। শিল্প ও সাহিত্য বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক রাহিতুল ইসলাম। শিক্ষা বিভাগে সম্মাননা পেয়েছেন মনসুর আহমেদ চৌধুরী। উদ্যোক্তা বিভাগে পুরুষ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছেন সংসদ সদস্য ও ব্যবসায়ী এরশাদ উল্লাহ এবং নারী উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন কনা আলম। পেশাজীবী বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন শাখাওয়াত হোসেন। সাংবাদিকতায় সম্মানিত হয়েছেন শফিক আহমেদ। ক্রীড়া বিভাগে সম্মাননা পেয়েছেন সাঈদ উর রব এবং সমাজসেবায় পুরস্কৃত হয়েছেন শান্তি শ্রী। কৃষি বিভাগে সম্মাননা পেয়েছেন ড. জি.কে. এম. মোস্তাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, সমৃদ্ধ সমাজ গড়তে সৃজনশীল ও মেধাবী মানুষের অবদানের কোনো বিকল্প নেই। অতীতে যা হয়েছে তা ভুলে সবার আগে বাংলাদেশকে সামনে রেখে ঐক্য গড়ে এগিয়ে যেতে হবে। তথ্য ও প্রযুক্তির এই যুগে গুণীজনদের কাজ ও জীবনদর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কৃষি উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ।
তিনি বলেন, বিশ্বকৃষি প্রযুক্তিতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশকে এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আরও পরিকল্পিতভাবে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
উল্লেখ্য, হুজ হু ১৮৪৯ সালে যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের জীবনী প্রকাশ ও সম্মাননা প্রদানের জন্য পরিচিত। বাংলাদেশে ২০১৬ সাল থেকে প্রতি দুই বছর অন্তর এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।




