তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকটি সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, এই আন্দোলন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক হলেও কিছু রাজনৈতিক দল আন্দোলনে সরাসরি মদদ দিয়েছে। তাদের মধ্যে ছিল কিছু নকশালপন্থী দল ও বামপন্থী সংগঠন সোশ্যালিস্ট ইউনিটি সেন্টার অব ইন্ডিয়া-কমিউনিস্ট (এসইউসিআই)।
সূত্রটি আরও জানায়, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এ নিয়ে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। দলের নেতা-নেত্রীদেরও বলে দেওয়া হয়েছিল যে তাঁরা যেন এই বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য না করেন। কারণ সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ তৃণমূলের ওপরে আরও ক্ষেপে যেতে পারে। তবে ভবিষ্যতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসবে বলে আমরা মনে করছি।
এদিকে চিকিৎসকদের আন্দোলন আপাতত থামলেও সুশীল ও নাগরিক সমাজ, রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কর্মসূচি এখনই থামবে কিনা, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তারা এখনো নিয়মিত মিটিং-মিছিল ও বিক্ষোভ করছে। তাই শনিবার থেকে চিকিৎসকেরা কাজে যোগ দেওয়ার পরেও পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজ নিজেদের কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন কিনা এখন সেটাই দেখার বিষয়।