বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহ রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র প্রভাব ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক সংঘর্ষে কমপক্ষে তিনটি জাহাজে হামলার ও ইরানের সতর্কবার্তার পর, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম লাফিয়ে প্রায় ৮০ ডলারে পৌঁছেছে।
আজ (২ মার্চ) সোমবার এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, সামরিক ঘটনা প্রভাবিত করলেও মূল কারণ প্রণালী বন্ধ হওয়া। বিশ্বের তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই জলপথে পরিবহন হয়, যার ফলে বাজারে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিতে পারে এবং দাম দ্রুত ১০০ ডলারের ওপরে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার জানিয়েছে, দুটি জাহাজে আঘাত হয়েছে এবং একটি তৃতীয় জাহাজের খুব কাছাকাছি অজানা প্রজেক্ট বিস্ফোরিত হয়েছে। ইরান জাহাজগুলোকে সতর্ক করেছে প্রণালী অতিক্রম না করার জন্য, যা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহণ করে।
প্রথম দিকে এশিয়ার বাজারে সোমবার তেলের দাম ১০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। তবে সকাল পর্যন্ত দাম কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। যদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, দাম ১০০ ডলারেরও বেশি হতে পারে। হরমুজ প্রণালী পুনরায় চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হলেই, তেলের দাম কমতে শুরু করবে।
অপরদিকে, সৌদি আরব ও রাশিয়াসহ ওপেকের কয়েকটি দেশ ২০৬ হাজার ব্যারেল দৈনিক উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা কমানো যায়। তবে যদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, হরমুজ প্রণালীতে তেলের পরিবহন ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।



