এ ছাড়া ১৫ নম্বর মিউনিসিপ্যালের প্রেসিডেন্ট দানিয়েলে তরকুয়াতি, ডেমোক্রেটিক দলের রোম শাখার মহাসচিব এনঝো ফস্কি, রোম সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর এরিকা বাত্তালিয়া এবং বিশেষ দূত এমিলিয়ানো মন্তেভেরদে, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য সংস্থা ((FAO)–এর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার এবং গ্লোবাল প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর নাফিস আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বক্তারা রোজার তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ আলোচনা করেন। তাঁরা রোজার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সিয়াম সাধনার একটি মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এ মাস আমাদের জন্য বিশেষ নেয়ামত। আমাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের এক সেতুবন্ধনের মাস। তাই এই সংযমের মাসে সবাইকে সংযত থাকা প্রয়োজন। তাঁরা বলেন, আজকে যে তাৎপর্য ইতালীয়দের মধ্যে তুলে ধরা হলো, এতে তাঁরা বুঝবেন রোজা কী? এভাবেই এই শান্তির ধর্মের শৃঙ্খলা তুলে ধরতে হবে।
অনুষ্ঠানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। ইতালিতে প্রায় আড়াই লাখের বেশি বাংলাদেশি বসবাস করেন। এটা আমাদের জন্য বড় একটা পাওয়া। এর ফলে অর্থনৈতিকভাবে যেমন ইতালি লাভবান হচ্ছে, বাংলাদেশও একইভাবে উপকৃত হচ্ছে। তিনি বলেন, বিমাস আয়োজিত আজকের ইফতার অনুষ্ঠান খুবই চমৎকার। এখানে উপস্থিত ইতালিয়ান ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সবার প্রতি ধন্যবাদ। বিমাস একটি মাইগ্র্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন। অভিবাসীদের নানা ইস্যু নিয়ে কাজ করে। মাইগ্র্যান্ট, এটা বিভিন্ন দেশেই চলমান এবং দীর্ঘ এক প্রক্রিয়ায় চলে। ইতালির প্রায় ৯০ ভাগ অভিবাসীর ৩০ ভাগ মুসলিম। বাংলাদেশিদের অবস্থান ৬ নম্বরে থাকলেও মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে তৃতীয়। এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশিরা নম্বর ওয়ান।



