স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার থেকে গ্লোবাল আইকন আলিয়া ভাটের যাত্রা

স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার থেকে গ্লোবাল আইকন আলিয়া ভাটের যাত্রা

বলিউডে আলিয়া ভাটের উত্থান ঘটে ২০১২ সালে, যখন তিনি ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ সিনেমায় ‘শানায়া’ চরিত্রে অভিনয় করেন। সেই সময়ে অনেকেই তাকে কেবল একজন ‘স্টার কিড’ হিসেবেই দেখেছিলেন। কিন্তু আজ আলিয়া ভাটকে স্বীকৃত ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী এবং গ্লোবাল আইকন হিসেবে দেখা হয়। রবিবার, ১৫ মার্চ, আলিয়া ৩৩ বছরে পা দিয়েছেন। জন্মদিনের এই দিনে তার কিছু অজানা তথ্য প্রকাশ করা হলো—

স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার থেকে গ্লোবাল আইকন আলিয়া ভাটের যাত্রা

ছোটবেলায় আলিয়া ছিলেন বেশ চঞ্চল ও গোলগাল। পরিবারের সদস্যরা তাকে ‘আলু’ নামে ডাকতেন, আর বাবা মহেশ ভাট তাকে ‘আলু বালু’ বলে সম্বোধন করতেন।

যদিও আলিয়া বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী, তিনি ভারতের নাগরিক নন। তার মা সোনি রাজদান ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত হওয়ায় আলিয়ার কাছে ব্রিটিশ পাসপোর্ট এবং নাগরিকত্ব রয়েছে।

অনেকে মনে করেন ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ আলিয়ার প্রথম ছবি। কিন্তু ১৯৯৯ সালে মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি ‘সংঘর্ষ’ সিনেমায় প্রীতি জিন্তার ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

‘শানায়া’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য আলিয়াকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছিল। প্রায় ৪০০ জনের অডিশনের পর তাকে নির্বাচিত করা হয়। এই চরিত্রে কাজ করার শর্ত ছিল মাত্র ৩ মাসে ১৬ কেজি ওজন কমানো।

পর্দার সাহসী গ্ল্যামার গার্ল হলেও বাস্তবে আলিয়া ভীষণ ভীতু। তিনি নিক্টোফোবিয়ার (Nyctophobia) শিকার, যার কারণে রাতে ঘুমানোর সময় ঘরে আলো জ্বালিয়ে রাখেন বা জানালা খোলা রাখতে পছন্দ করেন।

Scroll to Top