
নিউইয়র্ক, ৪ জুন – আবহাওয়ার বিশেষ অবস্থা ‘সুপার এল নিনো’ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এল নিনোর প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা অন্তত ৯০ শতাংশ।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিগত কয়েক বছর ধরেই বিশ্বব্যাপী রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে এল নিনো সক্রিয় হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুপার এল নিনোর ফলে অনেক দেশে তীব্র দাবদাহ এবং কোথাও অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের ঘটনা ঘটতে পারে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, বিজ্ঞানীদের তথ্য বিশ্লেষণে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সুপার এল নিনো আঘাত হানার আভাস পাওয়া গেছে। এর প্রভাব আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
এল নিনোর সম্ভাব্য ভয়াবহতা নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান যে বিজ্ঞান স্পষ্টভাবে বলছে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এল নিনো আমাদের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে। এটিকে বিশ্বের জন্য একটি জরুরি আবহাওয়া সতর্কতা হিসেবে গ্রহণ করা প্রয়োজন।
গুতেরেস আরও মন্তব্য করেন যে এল নিনো উষ্ণ বিশ্বের বিদ্যমান সংকটকে আরও উসকে দেবে। এটি সীমান্ত ছাড়িয়ে ধ্বংসাত্মক গতিতে অগ্রসর হতে পারে। এই সংকট মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। একইসাথে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে রক্ষা এবং সবার জন্য আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে এবং নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
এনএন/ ৪ জুন ২০২৬






