এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে আট উইকেট হাতে রেখে দ্বিতীয় দিন ব্যাট করতে নেমেছিল বাংলাদেশ, আগাতে পারেনি বেশিদূর। স্বাগতিক পেসারদের আক্রমণে কূপোকাত হয়ে প্রথম দিনের সাথে আর মাত্র ৯৫ রান যোগ করে অলআউট হয় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। বোলিংয়ে বাংলাদেশি ব্যাটারদের হতাশ করার পর ব্যাটিংয়ের নেমে হাসান-তাসকিন-নাহিদ রানাদের হতাশ করেছে স্বাগতিকদের ব্যাটাররা।
দ্বিতীয় দিন শেষে এক উইকেট হারিয়ে ৭০ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন ডানহাতি পেসার নাহিদ রানা। ১০ ওভার বল করে সাতটি মেডেন ওভার নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। দ্বিতীয় দিন শেষে ৯ উইকেট হাতে থাকা উইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ৯৪ রান পিছিয়ে আছে। ৩৩ রানে অধিনায়ক ক্রেইগ ব্রাথওয়েট এবং ১৯ রানে কেসি কার্টি অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিন সকালে ব্যাটে নামবেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ রক্ষার ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয় পড়ে বাংলাদেশ। ভেজা আউটফিল্ডে প্রথম দিন দুই উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান করার পর দ্বিতীয় দিন মাত্র ৯৫ রান করে ১৬৪ রানে অলআউট হয় টিম টাইগার্স। সবমিলিয়ে ৭১.৫ ওভার খেলেছে বাংলাদেশ। দুর্দান্ত বোলিংয়ের দিনে অন্যরকম রেকর্ড গড়েছেন পেসার জেডান সিলস।
৪৬ বছর পর নতুন রেকর্ড গড়েছেন ডানহাতি সিলস। ১৫.৫ ওভার বল করা সিলস ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ০.৩১ করে। ১৯৭৮ সালের পর ছেলেদের টেস্ট ক্রিকেটে ৬০ বা তার বেশি বল করা বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কম ইকোনোমির রেকর্ড গড়েছেন এর মাধ্যমে। পাঁচ রান দিয়ে চার বা তার বেশি উইকেট নেয়া ষষ্ঠ বোলারের রেকর্ড তার দখলে এসেছে। এ পেসারের করা ১৫.৫ ওভারের মধ্যে ১০.৫টি ছিল মেডেন ওভার।

বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ রান এসেছে বাঁহাতি ওপেনার সাদমান ইসলামের থেকে, ২০৭ মিনিট ক্রিজে থেকে ১৩৭ বলে করেছেন ৬৪ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ রান এসেছে মিরাজের থেকে। শাহাদাত হোসেন দিপু করেছেন ২২ রান। শামার জোসেফ ৪৯ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট, কেমার রোচ ৪৫ রানে নেন ২ উইকেট। এছাড়া একটি উইকেট পান আলঝারি জোসেফ।

জ্যামাইকার স্যাবিনা পার্কে শনিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টসে জিতেছিলেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। রাত সাড়ে ৮টায় টসের কথা থাকলেও কিংস্টনের মাঠ অপ্রস্তুত থাকায় টসে দেরি হয়। ততক্ষণে ভেস্তে যায় দিনের এক সেশন, প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা পর হয় টস। দুই পরিবর্তন নিয়ে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ওপেনার জাকির হাসানের পরিবর্তনে একাদশে আসেন সাদমান ইসলাম। পেসার শরিফুল ইসলামকে বিশ্রাম দিয়ে নাহিদ রানাকে সুযোগ দেয়া হয়।




