কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অনৈতিক ও অবৈধ উপায়ে নিজস্ব বাজেট ফুলিয়ে-ফাঁপিয়েই তৎকালীন সময়ে ফুটবল বাজারে অস্বাভাবিক ও অসম প্রতিযোগিতার সুযোগ নিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। এরই মধ্যে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিটির বিরুদ্ধে আনীত ১১৫টি অভিযোগের ১১৪টিতেই ক্লাবটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
স্বাধীন কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সিটির মালিকপক্ষ সবচেয়ে বেশি ছদ্মবেশী অর্থায়ন করেছে ২০১৭–১৮ মৌসুমে। সে বছর স্পনসর আয় দেখানো হয়েছে ১৪ কোটি ৫৭ লাখ পাউন্ডের বেশি। কিন্তু প্রকৃত আয় ছিল ১ কোটি ১০ লাখ। বাকি ১৩ কোটি ৪৭ লাখের বেশি পাউন্ড ছিল মালিকদের। এর আগে ২০১৬–১৭ মৌসুমে ১৪ কোটি আয়ের মধ্যে ১২.৯৫ কোটি, ২০১৫–১৬ মৌসুমে ১৩.৬১ কোটির মধ্যে ১২ কোটি পাউন্ড ছিল ভুয়া।

