মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সালমান আলি আঘার বিতর্কিত রান আউট নিয়ে আলোচনা থামছেই না। কেউ এটাকে আইনসিদ্ধ বলছেন, আবার কেউ বলছেন ক্রিকেটীয় চেতনার বিরোধী। তবে সালমানের রান-আউট শুধু এই তর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং এ নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার তৈরি করেছে রাওয়ালপিন্ডি ট্রাফিক পুলিশ।
রাওয়ালপিন্ডি পুলিশ তাদের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ম্যাচের একটি মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে লিখেছে, ‘রাস্তা হোক বা খেলার মাঠ, নিরাপদ থাকতে হলে অন্যের ওপর কম, নিজের ওপর বেশি ভরসা করুন। আপনার নিজ দায়িত্ব এবং সতর্ক আচরণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
Whether on the road or on the playing field, safety begins with personal responsibility.
Trust yourself, stay alert, and make wise decisions to keep yourself and others safe.#SafePunjab #trafficawareness #RoadSafety #StayAlert pic.twitter.com/m3gGu1qFWh
— City Traffic Police, Rawalpindi (@ctprwp) March 13, 2026
ইনিংসের ৩৯তম ওভারের চতুর্থ বলে রিজওয়ানের শটে বল যায় মিরাজের দিকে। মিরাজ সেটি পা দিয়ে আটকান। এ সময় নন-স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা ব্যাটার সালমান ক্রিজের বাইরে ছিলেন। বলটি তাদের দুজনের পায়ের কাছেই ছিল। সালমান বলটি মিরাজের হাতে দিতে একটু ঝুঁকেছিলেন। তবে সালমান বল ধরার আগেই মিরাজ বল নিয়ে স্টাম্পে মারেন এবং রানআউটের আবেদন করেন। মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে গেলে দেখা যায়, সালমান ক্রিজের বাইরে ছিলেন।
আউট মেনে নিতে পারেননি সালমান, মাঠেই অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি। হেলমেট এবং গ্লাভস ছুঁড়ে মারেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লিটন দাসের সঙ্গে তর্কও হয় তার। পরিস্থিতি শান্ত করেন রিজওয়ান। তবে সহজে রাগ থামেনি সালমানের। মাঠ ছেড়ে বাউন্ডারি সীমানা পার হওয়ার পর আরও একদফা হেলমেট এবং গ্লাভস ছুড়ে মারেন এই ব্যাটার।
গ্লাভস-হেলমেট ছুড়ে মারার ঘটনায় সালমানকে তিরস্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়েছে এই ব্যাটারের নামের পাশে। গত দুই বছরের মধ্যে প্রথমবার ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছেন সালমান।






