মেয়েদের সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। মালদ্বীপকে উড়িয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম আসরেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হওয়া আসরে নিজেদের ষষ্ঠও শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে ইতিহাস গড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
আসরে ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও এক ড্রয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সাবিনা খাতুনের দল। ভারতকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আসর শুরু করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে ৩-৩ ড্র করেছিল। পরের তিন ম্যাচে নেপালকে ৩-০, শ্রীলঙ্কাকে ৬-২ এবং পাকিস্তানকে ৯-১ গোলে হারায় বাংলাদেশের মেয়েরা।
রোববার থাইল্যান্ডের ব্যাংককের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে ষষ্ঠ ও শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে হারায় ১৪-২ গোলে। বাংলাদেশের হয়ে সাবিনা খাতুন ৪ গোল করেন। লিপি আক্তার করেন ৩ গোল, শ্রীমতি কৃষ্ণা রানী সরকার ২ গোল করেন। এছাড়া মাসুরা পারভীন, নওশীন জাহান, নিলুপা ইয়াসমিন নিলা, সুমাইয়া মাতসুশিমা ও মেহেনুর আক্তার করেন একটি করে গোল। মালদ্বীপের হয়ে একটি গোল করেন মারিয়াম নুরা, অন্য গোলটি আসে বাংলাদেশের মাসুরা পারভীনের গাঁয়ে লেগে।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। মাসুরা গাঁয়ে লেগে বল জড়ায় জালে। দু মিনিট পর সাবিনা বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান। ১৪ মিনিটে বাংলাদেশ অধিনায়ক ব্যবধান বাড়ান। ১৭ মিনিটে কৃষ্ণার গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-১ গোলে। একমিনিটের মধ্যে আরও তিনটি গোল দেয় বাংলাদেশ। লিপি আক্তারের জোড়া গোলের পর নওশীন জাহান মালদ্বীপ জালে বল পাঠান। ৬-১ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বিরতি থেকে ফিরে মালদ্বীপের জালে আরও ৮ গোল দেয় বাংলাদেশ। ২৩ মিনিটে সাবিনা হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। পরের মিনিটে গোল দেন সুমাইয়া। ২৬ মিনিটে সাবিনা চতুর্থ গোলটি করেন। ব্যবধান দাঁড়ায় ৯-১ গোলে।
৩০ মিনিটে নিলুপা ইয়াসমিন বাংলাদেশের হয়ে দশম গোলটি করেন। পরের মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন লিপি আক্তার। ৩২ মিনিটে কৃষ্ণা রানী ও মেহেনুর আক্তার গোল করেন। ৩৬ মিনিটে ১৪তম গোলটি করেন মাসুরা পারভীন। ৪০ মিনিটে মারিয়াম নুরা মালদ্বীপের দ্বিতীয় গোলটি করেন। ১৪-২ গোলে জিতে শিরোপা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।




