‘তল্লাশি আমার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়’
৫ অক্টোবর নিজের বক্তব্যে রাকুল বলেন, ‘তথ্য যাচাই না করেই খবরকে চাঞ্চল্যকর করার যে প্রবণতা তথাকথিত অনলাইন প্রতিবেদক ও কিছু মূলধারার সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের মধ্যে বাড়ছে, তা হৃদয়বিদারক। তাই বিষয়টি একবারের জন্য পরিষ্কার করে দিতে চাই—তল্লাশিটি আমার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না।’
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ব্যক্তিগত পরিচয় ও ক্যারিয়ারের কথাও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী। জানিয়েছেন, তিনি সশস্ত্র বাহিনীর পরিবারের সন্তান। বলিউডে তাঁর কোনো ‘গডফাদার’ ছিল না। নিজের পরিশ্রমেই জায়গা তৈরি করেছেন।
রাকুলের ভাষায়, ‘আমি সশস্ত্র বাহিনীর পরিবারের সন্তান এবং ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনো গডফাদার ছিল না। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের জায়গা তৈরি করেছি। একজন দায়িত্বশীল, আইন মেনে চলা নাগরিক হিসেবে ২০ বছর বয়স থেকেই নিয়মিত কর দিয়ে আসছি।’
বিদেশে অবৈধ অর্থ পাঠানোর অভিযোগও নাকচ
তদন্ত ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর যে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে, সেটি হলো বিদেশে অর্থ পাঠানোর অভিযোগ। রাকুল পরিষ্কার করে দিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে কিংবা কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের হয়ে তিনি এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত নন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে কিংবা কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমি কোনো ধরনের অবৈধ বিদেশি অর্থ লেনদেনে জড়িত নই।’
এর পাশাপাশি বেনামি সম্পত্তি নিয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন অভিনেত্রী। দেশের ভেতরে বা বিদেশে অন্য কারও হয়ে তাঁর কোনো বেনামি সম্পত্তি নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।
রাকুল আরও বলেন, কেউ কখনো তাঁকে কোনো সম্পত্তি উপহার দেননি। এমনকি নীতিগতভাবেই তিনি দামি উপহার গ্রহণ করেন না। অর্থাৎ তাঁকে ঘিরে সম্পত্তি বা দামি উপহার পাওয়ার যে ধরনের জল্পনা তৈরি হয়েছে, সেটিও তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

